মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

রিজার্ভ থেকে বিনিয়োগের চিন্তা করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭২৬ বার পঠিত

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, সামষ্টিক অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য। বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়বে। এজন্য প্রয়োজনীয় মূলধন জোগান দিতে সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখা হবে। এ ছাড়া অর্থনীতির স্বার্থে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে বিনিয়োগের কথা ভাবছে সরকার। রিজার্ভের অর্থ দিয়ে বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণের মতো অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এর ফলে প্রকল্পের অর্থায়নের সুদ বাবদ ব্যয় কম হয়। সম্প্রতি সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুস্তফা কামাল সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা সৃষ্টিতে তার এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ছিল করোনাভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় ইতোমধ্যে যেসব নীতি-সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে, তার পাশাপাশি নতুন কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা। জবাবে তিনি বলেন, অর্থনীতির গতিশীলতার জন্য অনেক আগে থেকেই মুদ্রানীতি সম্প্রসারণমূলক রয়েছে। সুতরাং ভাবার কোনো কারণ নেই, একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ হয়ে গেছে, ফলে আর নতুন বিনিয়োগ হবে না। সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনার আওতায় এক লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। সুদহার কমানো হয়েছে। অর্থনীতিতে গতি আনতে আরও নীতি-সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ৩৯ বিলিয়ন ডলার। ডিসেম্বরের মধ্যেই ৪২ বিলিয়ন ডলারে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সরকারি প্রকল্পে রিজার্ভ থেকে অর্থায়ন করার কথা বলেছেন। আমরা বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণের মতো প্রকল্পে এই অর্থ বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছি। বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রার ঋণ নিলে ৪ থেকে ৫ শতাংশ সুদ দেওয়া লাগে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বিদেশে বিনিয়োগ করলে এক থেকে দেড় শতাংশের বেশি সুদ পাওয়া যায় না। ফলে এই অর্থ সরকার ব্যবহার করলে রাষ্ট্রেরই লাভ। আমরা সেই কাজটি করতে যাচ্ছি।

বর্তমানে রিজার্ভ দিয়ে আমাদের কাছে প্রায় এক বছরের আমদানি দায় মেটানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এজন্য তিন মাসের আমদানির দায় মেটানোর প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা রেখে যখন যা লাগবে, তা আমরা নিতে পারি। আর যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসছে এবং পেট্রোলিয়ামের দাম কমার কারণে আমদানি খরচ যতটা কমছে, তাতে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bankbimabd
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbankbimabd41