ঢাকা বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১
মিয়ানমারে অভ্যুত্থান, এক জেনারেল ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
  • ব্যাংকবীমাবিডি
  • ২০২১-০২-০১ ২১:৫৮:২৩

স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি, প্রেসিডেন্ট উয়িন মিন্ট-সহ ক্ষমতাসীন দলের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে আটক করার পর একজন জেনারেলকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে দেশে জরুরি অবস্থাও জারি করা হয়েছে।

আজ সোমবার ভোরে দেশের শীর্ষ নেতাদের আটক করে সেনা নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন চ্যানেলে মায়াওয়াদ্দি টিভিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিং অং হ্লাইংয়ের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট উ মিন্ট স্যু এতদিন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যিনি সেনাবাহিনীর দ্বারা নিয়োগকৃত ছিলেন।

আগামী এক বছরের জন্য দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়া হয়েছে জানিয়ে দেশটির সামরিক বাহিনী তাতমাদো বলছে, মিয়ানমারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এমন পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় ছিল। গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

অবশ্য এমন কিছু ঘটতে পারে তা আগে থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল। গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন এনএলডির জয়ের ইঙ্গিতও আগে থেকেই পাওয়া যাচ্ছিল। এ ধারণার উৎস ছিল নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন জরিপের ফল। ভোট গণনার পর দেখা গেল, এসব জরিপের সঙ্গে নির্বাচনের ফলাফলের খুব একটা হেরফের হয়নি। পার্লামেন্ট উচ্চ ও নিম্ন- উভয় কক্ষেই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এনএলডি।

তবে এ ফলাফল মেনে নেয়নি দেশটির সামরিক বাহিনী তাতমাদো। মেনে নেয়নি বিরোধী দল ও বর্মি রাজনীতিতে তাতমাদোর প্রক্সি হিসেবে পরিচিত ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টিও (ইউএসডিপি)। ফল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনে ব্যাপক মাত্রায় কারচুপির অভিযোগ তোলে তাতমাদো ও ইউএসডিপি।

নির্বাচনের পর থেকেই বেসামরিক সরকার ও প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর মধ্যে এ নিয়ে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার পর এমন ঘটনা ঘটল।

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের আটক করে জরুরি অবস্থা জারির নিন্দা জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তন বা গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোন প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করছে। এই পদক্ষেপ থেকে সড়ে না এলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মিয়ানমারের পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন মিয়ানমারের শীর্ষ নেতাদের মুক্তি দেওয়ার জন্য সে দেশের সামরিক বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে সেনা অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়াও। এই গ্রেফতারিতে ‘গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যারিস পেইন বলেছেন, ‘আমরা সেনাবাহিনীকে আইনের শাসন মেনে চলতে আহ্বান জানাই। যেসব রাজনৈতিক নেতাকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে, আমরা তাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি।’

আজ সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির সেনাবাহিনী। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশের ক্ষমতা কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইংয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অর্থাৎ মিয়ানমারের ক্ষমতা এখন সেনাবাহিনীর দখলে। এছাড়া আগামী এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

অবশ্য এমন কিছু ঘটতে পারে তা আগে থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল। গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন এনএলডির জয়ের ইঙ্গিতও আগে থেকেই পাওয়া যাচ্ছিল। এ ধারণার উৎস ছিল নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন জরিপের ফল। ভোট গণনার পর দেখা গেল, এসব জরিপের সঙ্গে নির্বাচনের ফলাফলের খুব একটা হেরফের হয়নি। পার্লামেন্ট উচ্চ ও নিম্ন- উভয় কক্ষেই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এনএলডি।

তবে এ ফলাফল মেনে নেয়নি দেশটির সামরিক বাহিনী তাতমাদো। মেনে নেয়নি বিরোধী দল ও বর্মি রাজনীতিতে তাতমাদোর প্রক্সি হিসেবে পরিচিত ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টিও (ইউএসডিপি)। ফল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনে ব্যাপক মাত্রায় কারচুপির অভিযোগ তোলে তাতমাদো ও ইউএসডিপি।

নির্বাচনের পর থেকেই বেসামরিক সরকার ও প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর মধ্যে এ নিয়ে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার পর এমন ঘটনা ঘটল।

২০২০ সনে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের আয় কমেছে ৩%
যুক্তরাষ্ট্রকে হটিয়ে ইইউর বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার চীন
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রথম নারী  মহাপরিচালক