ঢাকা বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৮, ২০২১
ঘুষবাণিজ্যে ডয়চে ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্রে জরিমানা সাড়ে ১২শ’ কোটি ডলার
  • ব্যাংকবীমাবিডি
  • ২০২১-০১-০৯ ২১:৩৬:২৩

যুক্তরাষ্ট্রের ঘুষবিরোধী ও বাণিজ্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে জার্মানির ডয়চে ব্যাংকের বিরুদ্ধে। যে অভিযোগ এড়াতে ১ হাজার ২৪০ কোটি ডলার অর্থদণ্ড দিতেও রাজি ব্যাংকটি। এক বিবৃতিতে এটিকে বড় ধরণের আর্থিক ধাক্কা উল্লেখ করলেও আপাতত কেলেঙ্কারি ঢাকতেই মনোযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে ডয়চে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে পরিচালিত নেটওয়ার্কে ইউরোপ, আমেরিকা এবং এশিয়ায়জুড়ে ৫৮টি দেশে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে ডয়চে ব্যাংক। আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান এমন একটি ব্যাংকই কিনা এবার বড় ধরণের আর্থিক জরিমানার মুখে। যার নেপথ্যে ঘুষ লেনদেন আর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির লঙ্ঘন। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একাধিক ব্যবসা বাগিয়ে নিতে অনৈতিক চেষ্টা করেছে ডয়চে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

এমনকি বাণিজ্যিক ভারসাম্য রক্ষায় করা বেশ কিছু নীতিও আমলে নেয়নি তারা। আর তাই অবধারিতভাবেই শাস্তির মুখোমুখি জার্মান ব্যাংকটি।

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ফেডারেল আদালতে এক শুনানিতে এ সংক্রান্ত দুটি চুক্তিই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়। যেখানে প্রসিকিউটররা ডয়চে ব্যাংককে বিদেশি দুর্নীতি অনুশীলন আইনের বই আর রেকর্ডের বিধান লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করেছে।

তারা বলেছে, অপরাধগুলোর মধ্যে সৌদি আরবের একজন গ্রাহকের পরামর্শককে ওই গ্রাহকের ব্যবসা ধরে রাখতে ‘রেফারেল ফি’ হিসেবে ছদ্মবেশে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল এবং আবুধাবিতে এক কর্মকর্তাকে নিয়োগের জন্য একজন মধ্যস্থতাকারীকে লাখ  লাখ ডলার প্রদানের বিষয়টিকেও দেখানো হয় পরামর্শক ফি হিসেবে। মুলত, বিদেশি সংস্থাগুলোর জন্য অন্য কোথাও ঘুষ দিয়ে কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালানো নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে।

কিন্তু বিশ্বজুড়ে এতদিনের অর্জন করা সুনাম, এক মুহূর্তেই হারাতে চায় না ডয়চে ব্যাংক। তাই তো, শাস্তি এড়াতে বিশাল অংকের অর্থ পরিশোধেও রাজি তারা। এ অপরাধের দায় স্বীকার করে দেওয়া বিবৃতিতে ব্যাংকটি জানিয়েছে, অনিয়মের ঘটনাগুলো ঘটেছিলে ২০০৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সময়ে।

টানা পাঁচ বছরের লোকসানের পর মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছে ডয়চে ব্যাংক। যার জন্যে বেশ কয়েকটি ব্যবসা থেকে সরে আসার সঙ্গে প্রায় ১৮ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়েরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এরমধ্যেই দীর্ঘদিনের গ্রাহক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে লেনদেনের বিষয়ে বিভিন্ন তদন্তের মধ্যেও ওয়াশিংটনে ব্যাংকটি তার ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া ব্যাংক সিইও জেমস গরম্যান
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বপ্রথম নারী অর্থমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন জ্যানেট ইয়েলেন
ডেলাওয়ার থেকে হোয়াইট হাউস