মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সার্ভিস চার্জ গ্রাহককে জানাতে হবে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫১ বার পঠিত

মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) যে কোন পরিষেবা দেয়ার আগে গ্রাহককে পরিষেবার ধরন, সার্ভিস চার্জ ও মাসুলের পরিমাণ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জের তালিকা গ্রাহকগণকে যথাযথভাবে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে ইস্যুকৃত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে কার্যরত সকল মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব তথ্য জানানোর জন্য এমএফএস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানগুলোকে এফএকিউ (ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোয়েশ্চেন) প্রস্তুত করতে হবে।

বাংলাদেশ এমএফএস রেগুলেশন ২০১৮ এর ৫০ ধারা অনুযায়ী, প্রদেয় পরিষেবাগুলোর জন্য সার্ভিস চার্জ বা মাসুল সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গ্রাহকরা যেন যথাযথভাবে জানতে পারেন সেকারণে তিনটি পরামর্শ দেয়া হয় চিঠিতে। পরামর্শগুলো হলো-

(১) ) যে কোন পরিষেবা প্রদানের পূর্বে তার ধরন, প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জ ও মাসুল এর পরিমাণ গ্রাহককে জানাতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জের তালিকা এবং এফএকিউ প্রস্তুত করে সে সম্পর্কে গ্রাহকগণকে যথাযথভাবে অবহিত করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনে প্রদর্শন করতে হবে।

(২) পরিষেবার ধরন বা সার্ভিস চার্জ মাসুল হার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রাহকগণকে অগ্রিম নোটিফিকেশন প্রেরণের মাধ্যমে অবহিত করতে হবে।

(৩) সার্ভিস চার্জ বা মাসুল হার সংক্রান্ত বিভ্রান্তি পরিহার করে বিভিন্ন গণযোগাযোগ (সংবাদপত্র, পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন, ইউটিউব চ্যানেল ইত্যাদি) এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন ইত্যাদি) প্রচার প্রচারণাসহ সকল ক্ষেত্রে ভ্যাটসহ সার্ভিস চার্জ/মাসুল হার উল্লেখ করতে হবে।

বাংলাদেশের বর্তমানে বিকাশ, রকেট, নগদ, শিওর ক্যাশ, এম ক্যাশ, ইউক্যাশসহ ১৫টি প্রতিষ্ঠান মোবাইলে আর্থিক সেবা প্রদান করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, কিছু প্রতিষ্ঠান এমন প্রচারণা চালাচ্ছে যে নগদ উত্তোলন হার ১ শতাংশে নেমে এসেছে। বাস্তবে এর চেয়ে অনেকে বেশি টাকা কাটা হচ্ছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে আগের মতোই। মূলত ভ্যাট ছাড়া ও নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বেশি লেনদেনে তারা ছাড় দিচ্ছে। কিন্তু গ্রাহকদের পক্ষে এত হিসাব জানা সম্ভব হচ্ছে না। টাকা কেটে নিচ্ছে। এ জন্য সবাইকে প্রকৃত তথ্য গ্রাহকদের জানাতে বলা হয়েছে।

এদিকে এমএফএসগুলোর পারস্পরিক লেনদেন নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী সপ্তাহেই নতুন এই সেবা চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bankbimabd
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbankbimabd41