শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২০, ১০:১৭ অপরাহ্ন

পদোন্নতি ভাবনা, না পেলে কী করবেন

ব্যাংকবীমাবিডি
  • আপডেট টাইম শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২০
  • ৬১৫ বার পঠিত

পদোন্নতি বা পদোন্নয়ন বলতে কোনো কর্মীকে তার বর্তমানে আসীন পদ হতে উচ্চতর দায়িত্ব ও পদমর্যাদা সম্পন্ন পদে উন্নীত করাকে বুঝায়। যেকোনো প্রতিষ্ঠানেই পদোন্নয়ন কর্মীদের উত্তম কাজ হিসেবে গন্য করা হয়ে থাকে। এতে কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি পায় এবং যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মীদের প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখা সম্ভব হয়।

পেশাজীবনে আমরা যতই এগিয়ে যাই, ততই পদোন্নতির সুযোগ ও প্রত্যাশার বিকাশ ঘটে। হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউর এক নিবন্ধ থেকে জানা যায়, মধ্যবয়সের পেশাজীবন যাঁদের, তাঁদের ৪১ শতাংশ পদোন্নতি না হওয়ার কারণে কর্মস্থল পরিবর্তন করেন। পদোন্নতি না হওয়ার কারণে ৭৩ ভাগ কর্মীর মধ্যে হতাশা ভর করে। যে হতাশার বহিঃপ্রকাশ না থাকলেও কাজের মান ও গতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পদোন্নতির সঙ্গে দক্ষতার বিষয়টি জড়িত, যা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজের মান ও গতির ওপর প্রভাব ফেলে। বিষয়টি শুধু বেতন বা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, কর্মীদের অনুপ্রেরণা ও কাজে আগ্রহী করে তোলার গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) সহকারী অধ্যাপক সাইফ নোমান খান বলেন, ‘কর্মস্থলে গতিশীলতা আনতে পদোন্নতি বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পদোন্নতি বিষয়টিকে তেমন গুরুত্বপূর্ণ ভাবা হয় না। পদোন্নতি না হলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা যায়, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সামগ্রিক কাজের ওপর। আবার হুটহাট ‘গণ পদোন্নতি’ কাজের মান কমিয়ে দেয়। কর্মীদের মধ্যে নেতিবাচক রেষারেষি তৈরি করে। কখনো কখনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অনিয়মিত পদোন্নতি তরুণ মেধাবী নতুন কর্মীদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে নিরুৎসাহিত করে।

বেসরকারী ব্যাংকের পদোন্নতির বর্তমান অবস্থা

ভালো বেতন, সামাজিক সম্মান, চাকরির নিরাপত্তা আর দ্রুত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ -সব মিলিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাংকিং খাতে চাকরি এখন বেশ আকর্ষণীয়। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যাংকের সংখ্যা। এসব ব্যাংকে রয়েছে প্রচুর দক্ষ জনবল।

বেসরকারী ব্যাংকিং ইন্ড্রাষ্ট্রিতে প্রতীনিয়ত তীব্র প্রতিযোগিতায় অবতির্ণ হতে হয়। ফলে কর্মীদেরকে বিভিন্ন প্রণোদনা দিতে হয় যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পদোন্নতি। ব্যাংকগুলোর সাধারনতঃ একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ অতিক্রম করার পর এক ধাপ থেকে উপরের ধাপে পদোন্নতি দিয়ে থাকে। পদোন্নতির দেয়ার ফলে কর্মকর্তাদের আর্থিক সুযোগ সুবিধা পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধি পায় সেসাথে সামাজিকভাবেও উন্নতি ঘটে। ফলে চাকুরীর পদোন্নতি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে বেসরকারী ব্যাংকারদের জন্য বিশেষ প্রাপ্তি।

দেশের অধিকাংশ ব্যাংকগুলোতে মেধাবী কর্মকর্তাদের নিয়মিতভাবে পদোন্নাত দেয়া হয়। ইদানিং কিছু বেসরকারী ব্যাংকারদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে নানা অনিয়মের কথা শুনা যায়। উপরের বসদের ইচ্ছাধীন চলে অনেক বেসরকারী ব্যাংক। আবার মালিক পক্ষের পছন্দের কর্মকর্তারা পদোন্নতির বাছাইয়ে এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে শীর্ষ স্থানে অবস্থান করেন।

বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা যানা যায়, অনেক ব্যাংকার প্রতি বছরই পদোন্নতি পেয়ে থাকেন এমনকি অনেকে বছরের একাধিকবারও পদোন্নতি পান। একই সাথে যোগদান করে একই সাথে পদোন্নতি পেয়েও আর্থিক সুযোগ সুবিধায় অনেকে এগিয়ে থাকেন। কোন কোন ব্যাংকের জুনিয়র কর্মকর্তাকে তার থেকে সিনিয়র কর্মকর্তার বস বানিয়ে দেয়া হয়।

কোন কোন কর্মকর্তাকে ব্যাংক নীতিমালার বাইরেও অতিরিক্ত সুবিধা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। আবার সমপর্যায়ের বা অধীক মেধা সম্পন্ন কর্মকর্তার উপরের বস বা মালিক পক্ষের সাথে ভাল যোগাযোগ না থাকায় পদোন্নতি সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধায় পিছিয়ে থাকেন, এমন কি বছরের পর বছর পদোন্নতি বঞ্চিত হন। এর ফলে এসব কর্মকর্মাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয় যা ব্যক্তিভাবে এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মারাত্নক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পদোন্নতি নিয়ে প্রতিষ্ঠান যা ভাববে

* নিয়মিত পদোন্নতি বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের পেশাগত সংস্কৃতি হিসেবে গড়ে তুলুন।
* পদোন্নতির সুযোগ-সুবিধা নতুন ও তরুণ পেশাজীবীদের প্রতিষ্ঠানে যোগদানের ক্ষেত্রে আগ্রহী করে তোলে।
* সব কর্মীর গড়পড়তা পদোন্নতি না দিয়ে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পদোন্নতির সুযোগ কর্মীদের কাজে প্রতিযোগিতা তৈরি করে।
* তরুণ পেশাজীবীদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ও শীর্ষ পদগুলোতে ভবিষ্যতে নেতৃত্বের সুযোগ রাখার দিকে খেয়াল রাখুন।
* প্রতিষ্ঠানের কোনো পেশাজীবী পদোন্নতি নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হলে তাঁর সঙ্গে মানবসম্পদ বিভাগ থেকে যোগাযোগের সুযোগ রেখে আলাপ-আলোচনা করা যেতে পারে।
* পদোন্নতি অনুগ্রহের কোনো বিষয় নয়, যোগ্যতা অর্জনের বিষয় সেই ধারণাটি প্রতিষ্ঠা করুন।

পদোন্নতি না পেলে কী করবেন

পেশাজীবনে পদোন্নতির প্রত্যাশা সবারই থাকে। কিন্তু সব সময় সবার কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি না-ও হতে পারে। প্রতিষ্ঠান নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী উপযুক্ততা বিবেচনা করে কাউকে কাউকে পদোন্নতি দিয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে কর্মীর কর্মদক্ষতা, বিশ্বাসযোগ্যতা, নেতৃত্বের গুণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অবস্থা এবং প্রয়োজনটাও বিবেচ্য। এই দুইয়ে দুইয়ে চার না মিললে অনেক ক্ষেত্রে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি। কিন্তু পদোন্নতিবঞ্চিত ব্যক্তি যদি হতাশ হয়ে পড়েন, তাহলে মুশকিল। এ সময় নিজেকে সামলে সঠিক পরিকল্পনা করতে পারাটাই পেশাদারির পরিচয়। তা না করতে পারলে পেশাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ব্যক্তিজীবনেও হতাশা, উদ্বেগ ও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা জরুরি।

পদোন্নতির বিষয়ে ‘না-সূচক’ খবর শুনে অপ্রস্তুত হয়ে যান অনেকেই। ক্ষোভে ফেটে পড়েন, হতাশায় মুষড়ে পড়েন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সবাই আপনাকে লক্ষ করছে। আপনি যে পদোন্নতি-প্রত্যাশী সে বিষয়টি সহকর্মীরা কম-বেশি সবাই জানেন। মুহূর্তের অপেশাদার মনোভাব, বিরূপ প্রতিক্রিয়া বা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ আপনার সম্পর্কে ভুল বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। আপনার দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট করতে পারে। তাই তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে আত্মনিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুন। ব্যক্তিত্ব অক্ষত রেখে ঠান্ডা মাথায় বিষয়টি নিয়ে ভাবুন। প্রয়োজনে একান্ত শুভাকাঙ্ক্ষী সহকর্মীর সঙ্গে কিছু সময় কথা বলে বিষয়টিকে হালকা করার চেষ্টা করুন।

অন্যদের অভিনন্দন জানান

নিঃসংকোচে অন্যদের অভিনন্দন জানান। আপনার চেয়ে উঁচু পদের হোক বা নিচু পদের, যাঁরাই পদোন্নতি পেয়েছেন, তাঁদের সবাইকে অভিনন্দন জানান। নিজ বিভাগের বাইরে অন্যদেরও খোঁজ নিন, শুভেচ্ছা জানান। অফিসের পরিচিত অনেকেই নিজে থেকে আপনার কাছে তাঁদের খবর নিয়ে আসতে পারেন। সবাইকে হাসিমুখে অভিনন্দিত করুন। নিজের বিষয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগার কিছু নেই। কারণ, পদোন্নতি না পাওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনার দীর্ঘদিনের অর্জন বৃথা হয়ে গেছে। তাই কর্মস্থলের অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে কথাবার্তায় যেন আপনার ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ না থাকে।

ভারসাম্য বজায় থাক

ব্যক্তিজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ পেশাজীবন। আমাদের সারা দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাটে কর্মক্ষেত্রে, পেশাগত ব্যস্ততায়। তাই দিন শেষে আপনার হাসিমুখ দেখা থেকে পরিবারের অন্যরা যাতে বঞ্চিত না হন, সেদিকে খেয়াল রাখুন। কর্মক্ষেত্রের নেতিবাচক কোনো বিষয় যেন পরিবারের অন্যদের প্রভাবিত না করে। স্বাভাবিক সম্পর্ক বা যোগাযোগে যেন ভাটা না পড়ে। প্রয়োজনে পরিবারের ঘনিষ্ঠজনকে নিজে থেকেই বিষয়টি জানিয়ে দিতে পারেন। এতে আপনি চাপমুক্ত হবেন, স্বাভাবিক থাকবেন। দৈনন্দিন কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন সহজে।

বসের সঙ্গে বোঝাপড়া

বসের কাছ থেকে সময় চেয়ে নিন। বিনয়ের সঙ্গে আপনার প্রত্যাশা ও অপ্রাপ্তির বিষয়টি অবহিত করুন। নম্রভাবে প্রকৃত কারণটি জানতে চান। পুনর্বিবেচনার সুযোগ না থাকলে নিজের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ফিরিস্তি না দিয়ে প্রতিষ্ঠানের অবস্থা, পরিকল্পনা এবং নিজের অবস্থান বোঝার চেষ্টা করুন। প্রশ্নের উত্তরেই আপনার প্রতি বসের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হবে। পেশাজীবনে উন্নয়নের জন্য কোন কোন বিষয়ের প্রতি সজাগ থাকা দরকার, এসব বিষয় তিনি বলতে চাইলে তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী পরিকল্পনার বিষয়টিও নিয়ে আসুন বসের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে। এতে আপনার আগ্রহ প্রকাশ পাবে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তিনি আপনাকে কীভাবে রাখতে চান সেটাও জেনে নিতে চেষ্টা করুন। তাহলে আপনার জন্য নিজের বিষয়ে পরিকল্পনা করাটাও সহজ হবে।

নিজে বুঝুন, নিজেকে বোঝান

ঠান্ডা মাথায় আত্ম-মূল্যায়নে মনোনিবেশ করুন। নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলুন। প্রয়োজনে কাগজে লিখে ফেলুন। বিগত ছয় মাস থেকে এক বছরে প্রতিষ্ঠানের কী কী কাজ সফলভাবে করেছেন, তার একটা তালিকা তৈরি করুন। পাশাপাশি যা করতে পারেননি, তা-ও লিখে ফেলুন। এ কাজগুলো করতে পারা না-পারার মাঝে নিজের ভুলগুলো উঠে আসবে। এর পাশাপাশি নিজের শক্তিগুলোও আরেকবার অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। কারণ, আপনিই সবচেয়ে ভালো জানেন—আপনি কী পারেন, কী করেছেন আর কী করতে পারেননি। মিলিয়ে দেখুন আরও কী কী করা দরকার ছিল। এবার নিরপেক্ষভাবে ভেবে দেখুন—আপনার কতটুকু প্রাপ্য ছিল, আর কতটুকু বঞ্চিত হয়েছেন।

পরিকল্পনা থেকে প্রস্তুতি

আত্মমূল্যায়ন শেষে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির হিসাবই আপনাকে তাগিদ দেবে নতুন করে শুরু করার। হতে পারে সেটা আগের প্রতিষ্ঠানেই কিংবা অন্যত্র। প্রতিষ্ঠানের অবস্থা ও কর্তৃপক্ষের মনোভাবেই বোঝা যাবে-এ বছরটি আপনার জন্য কতটুকু সুগম। ভুলগুলো শুধরে এখানে কাজ করলে কত দূর যাওয়া সম্ভব, তা-ও ভেবে দেখুন। ইতিবাচক সম্ভাবনা থাকলে নতুন উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। তা না হলে কর্ম-পরিবেশ ও পেশার পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনায় আনুন। উন্নতির অন্তরায় যদি আপনি নিজে না হয়ে এসব পারিপার্শ্বিক অবস্থা হয়, তাহলে চূড়ান্ত পরিকল্পনা করতে বসুন, নতুন চাকরির সন্ধান শুরু করুন এখনই।

ব্যাংকিং অধ্যয়েনে মনোযোগ দিন 

আপনি যদি একজন ব্যাংকার হয়ে থাকেন তাহলে ব্যাংকিংয়ে পদোন্নতির জন্য এ বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান আহরণের প্রয়োজন। নিত্য নৈমিত্তিক বিশ্ব ব্যাপী ব্যাংকিং কার্যক্রমের পরিবর্তন হচ্ছে। তাছাড়া ব্যাংকিং এখন আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর। ব্যাংকিং বিভিন্ন ভাষাগত ও ব্যবহারিক পরিবর্তানের মাধ্যমে ক্রমেই আধুনিক হচ্ছে। তাছাড়া, ব্যাংকিংয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা পেশাগত দক্ষতার ট্রেনিং ও সনদ দিচ্ছে। এ ধরনের সনদ অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্যাংকার হিসাবে প্রস্তুত করা সম্ভব। তাছাড়া ব্যাংকের পদোন্নতি সংক্রান্ত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার জন্যও নিজেকে প্রস্তুত হওয়া প্রয়োজন। তাই একজন দক্ষ ও পেশাদার ব্যাংকারকে প্রতিনিয়ত আধুনিক ব্যাংকিং সহ বিভিন্ন বিষয়ে অধ্যয়নে মনোযোগী হওয়া উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bankbimabd
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbankbimabd41